মাইগ্রেনের ব্যথা হলে কী করবেন?

ডেস্ক রিপোর্ট :

মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যেকোনো এক পাশ থেকে শুরু হয়ে অনেক সময় পুরো মাথায় ব্যথা করে। এতে মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়। এই ধরনের ব্যথা হলে বুঝতে হবে আপনার মাইগ্রেন অ্যাটাক হয়েছে। মাথাব্যথার সঙ্গে বমি এবং বমি বমি ভাব রোগীর দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে।

মাইগ্রেনের ভয়াবহ মাথাব্যথার সঙ্গে যারা পরিচিত তারাই জানেন, এটি কতটা যন্ত্রণাদায়ক।

কী কী কারণে হতে পারে মাইগ্রেন অ্যাটাক।

* মাইগ্রেন অনেক পরিবারেরই জিনগত সমস্যা।

* কাজের চাপ, মানসিক চিন্তা থেকে অতিরিক্ত ক্লান্তির কারণেও মাইগ্রেন অ্যাটাক খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার।

* পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া মাইগ্রেন অ্যাটাকের অন্যতম কারণ।

* খুব উজ্জ্বল আলো বা তীব্র রোদে বেশিক্ষণ থাকলেও মাইগ্রেন অ্যাটাক হতে পারে।

* ঠান্ডা লাগা বা অন্য কিছু থেকে অ্যালার্জি, ইনফেকশন হলেও মাইগ্রেন অ্যাটাক হতে পারে।

* অনেক সময় দীর্ঘ দিন ধরে চলা কোনো ট্রমার কারণেও মাইগ্রেন অ্যাটাকের সম্ভাবনা থাকে।

* মেনস্ট্রুরেশনের সময় অনেক মহিলা মাইগ্রেনের সমস্যায় ভোগেন।

* ওরাল কন্ট্রাসেপটিভের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় অনেক সময় মাইগ্রেন অ্যাটাক হতে পারে।

* অনেক সময় শরীরে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মাইগ্রেন অ্যাটাক হয়ে থাকে।

মাইগ্রেন হলে করণীয়:

* যাদের এ রোগ আছে, তাদের অন্তত: দৈনিক ৮ ঘন্টা ঘুম আবশ্যক।

* কড়া রোদ বা তীব্র ঠাণ্ডা পরিহার করতে হবে।

* অতিরিক্ত বা কম আলোতে কাজ না করা।

* বেশি সময় ধরে কম্পিউটারের মনিটর ও টিভির সামনে না থাকা।

* উচ্চশব্দ ও কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে বেশিক্ষণ না থাকা।

* যেসব খাবার খেলে মাইগ্রেন শুরু হতে পারে সেসব খাবার যেমন কফি, চকলেট, পনির, আইসক্রিম, মদ ইত্যাদি বর্জন করা উচিত।

* অধিক সময় উপবাস থাকা যাবে না।

* জন্মবিরতীকরণ পিল সেবন না করা শ্রেয়। প্রয়োজনে অন্য পদ্ধতি বেছে নেয়া ভালো।

* পরিশ্রম, মানষিক চাপ এবং দীর্ঘ ভ্রমণ বর্জনের মাধ্যমে মাইগ্রেনের আক্রমণ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

 

চ্যানেল২৪ অনলাইন

 

 

##বর্তমান সংবাদ.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।##